বিসমিল্লাহ শেষ বিদায় স্টোর
বিসমিল্লাহ শেষ বিদায় স্টোর

বিসমিল্লাহ শেষ বিদায় স্টোর

বিষয়:
উপন্যাস
ISBN:
9789849577850
সংস্করণ:
২০২৬
পৃষ্ঠা:
১০৪
মূল্য (MRP):

৩০০ টাকা

pbs

বইটির বিবরণ

বিসমিল্লাহ শেষ বিদায় স্টোর উপন্যাসে বর্ণিত প্লটটিকে প্রেমের গল্প বলা যায় আবার না-ও বলা যায়। তবে এটি এক নারীর অদম্য ভালোবাসা এবং হেরে যাওয়ার চিরায়ত কাহিনি। ভালোবাসা কাউকে মহান করেনি, আবার এই হেরে যাওয়া কাউকে পিছিয়েও দেয়নি। বরং যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ করে দেয় এবং যার যা প্রাপ্তি তা বুঝিয়ে দেয়। উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্রটিকে ভালোবেসেছে তার চেয়ে কমবয়সি এক যুবক। সময় ও ঘটনার প্রবাহে যখন নারীও ভালোবাসায় আকণ্ঠ নিমজ্জিত ঠিক তখন যুবক আপন চেহারায় আবির্ভূত হয়েছে। বিশ্বাসটুকু তছনছ করে দিয়ে বিয়ে করেছে অন্য এক নারীকে। প্রতারিত নারীটি ফিরে গেছে আদি বাসভূমে এবং অপেক্ষার আঁচল পেতে বসে আছে। জীবন সমুদ্রের মতো, কিছুই নেয় না, সময় হলেই সব ফিরিয়ে দেয়- যার যা প্রাপ্য। তাই তার বেদনাবহ বিশ্বাস, জীবনের শেষ যাত্রায় হলেও যুবককে আসতে হবে বিসমিল্লাহ শেষ বিদায় স্টোরে, এখান থেকে গ্রহণ করতে হবে শেষ দানটুকু।

লেখকের পরিচিতি

শেলী সেনগুপ্তা
শেলী সেনগুপ্তা

শেলী সেনগুপ্তা আমাদের কাব্য ভূবনে নতুন কোন পথিক নন। তার পথচলা তার নিজের মতোঁ। প্রকাশের উচ্ছ্বাস নেই, প্রচারের ব্যঞ্জনা নেই; শুধু আছে লেখা, শুধু রচনা, তার সঙ্গী শুধু অন্তরের প্রণোদনা । সোজাসাপ্টা বিবরণে যা তিনি করেছেন ও যা তিনি হয়েছেন তাতে কারও দান-অবদান নেই। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর হওয়া, সরকারি ব্যাংক ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মজীবী থাকা, দীর্ঘদিন স্বনিয়োজিত থাকা এবং নানাধরনের কর্মব্যাপৃতিতে জড়িয়ে পড়া, স্কুল ও কলেজে সাহিত্যের শিক্ষকতায় যোগ দেয়া, চারুচয়নে গৃহকোণ শিল্পীর দায়িত্ব পালন করা- সবই হয়েছে ও সবই করেছেন তিনি আপনশ্রমের ও চেষ্টার নিবিড়তায় গভীর ভালোবাসায়। গৃহকোণে যিনি তার সঙ্গী, চৌত্রিশ বছরের, তিনি দেশের কথাসাহিত্যভূবনে খ্যাত মানুষ, রণজিৎ বিশ্বাস, সরকারের সংস্কৃতি সচিব। উপমা বিশ্বাস মুক্তা তার কন্যা, তারই মতোই শক্ত ও স্বনির্মিত। অভিষেক বিশ্বাস হীরা তার পুত্র, অবিশ্বাস্য প্রতিভাবান ও তার পিতার মতো জেদি ও ছেদি। প্রথমজন প্রবাসে, দ্বিতীয়জন অকালে, অসময়ে, অপ্রয়োজনে ও পাশবপ্রকৃতির মানব ষড়যন্ত্রে দেড় দশক ধরে অন্যলোকে। তবুও সমাজকল্যাণ ও শিশুকল্যাণে এবং মনব্যায়ামে মনঢালা কর্মচঞ্চল শেলী সেনগুপ্তা বলেন, থামলে চলবে না, আমাকে বেঁচে থাকতেই হবে, আমার যে সব দিতে হবে।